রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জের সোনাখাড়া ও ধুবিল ইউনিয়নের ৩ হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রায়গঞ্জ উপজেলার ২ টি ইউনিয়নের কলিয়া, শ্রীরামপুর, গোপালপুর, পশ্চিম আটঘরিয়া, গোপীনাথপুর, ইছিদহ, চকদাদপুর, বাশাইল, রাজাপুর ও বোয়াইল মৌজার ৩ হাজার বিঘা জমির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর খনন করায় এ কৃত্রিম জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। এতে স্থানীয় কৃষকরা মারাক্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতি বছর ইরি বোরো ও আমন ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আমন মৌসুমে কোন আবাদ হয় না, ইরি বোরো রোপন করা গেলেও ফসল ঘরে তুলতে পারি না।
সাইফুল ইসলাম দুলাল বলেন, ইরি মৌসুমে ১ বিঘা জমির ধান কাটতে মজুরি দিতে হয় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা, পানিতে ধান পঁচে দূর্গন্ধ ছড়ায়। এতে স্থানীয় ধানের বেপারীরা ধান ক্রয় করতে চায় না, এই ধান ৫ শত থেকে ৭ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে হয়, তাও আবার হাঁসের খামারিরা ক্রয় করে।
দিন মজুর কালু সেখ বলেন, হাঁটু পানিতে তলিয়ে থাকা ধান কাটতে অনেক কষ্ট হয়। স্থানীয় জোতদার আব্দুল কুদ্দুস সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতি দ্রুত অত্র মৌজার জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা অতি জরুরি, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে, না হলে পুকুর খননের অনুমতি দিতে হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মমিনুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, স্থানীয় এমপি ভিপি আয়নুল হকের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন প্রেরণ করা হয়েছে, আগামী আমন মৌসুম শুরুর আগেই পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মান কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন