নিজস্ব প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে আদালতের নির্দেশে বসতবাড়িতে প্রবেশ ও বসবাস নিশ্চিত করার পর বাদীকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাটি প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
জানা গেছে, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম আদালত, গাইবান্ধার মামলা নং ৩৮৭/২০২৪ (সাদুল্লাপুর)-এর আদেশ অনুযায়ী বাদী মনি বেগম (পিতা: মো. ফজার রহমান, গ্রাম: হরিনাথপুর, উপজেলা: সাদুল্লাপুর, জেলা: গাইবান্ধা)-কে নালিশি বসতবাড়িতে প্রবেশ ও বসবাসের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করা হয়।
আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে একটি নোটিশ জারি করা হয়। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও মামলার প্রেষণকারী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে সংশ্লিষ্ট সকলকে আদালতের আদেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তা প্রতিপালনের আহ্বান জানানো হয়।
নোটিশ অনুযায়ী, আদালতের পূর্বের আদেশের ধারাবাহিকতায় ১৫ জুন ২০২৬ তারিখে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে, সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সহযোগিতায় মনি বেগমকে ওই বসতবাড়িতে প্রবেশ ও বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বাড়ি বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকে বিবাদীপক্ষ বিভিন্ন সময় মনি বেগমের কাছে চাঁদা দাবি করে এবং বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জুন ২০২৬ রাতে আফরুর ছেলে হাজিবের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মনি বেগমকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের বা প্রশাসনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটন ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মন্তব্য করুন