নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর ডি-৯ এরিয়ায় সরকারের ওএমএস (খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি) কার্যক্রমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ন্যায্যমূল্যের আটা ও চাল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর কথা থাকলেও, অভিযোগ রয়েছে যে অবিকৃত পণ্য ভুয়া বিক্রয় দেখিয়ে পাচার করা হচ্ছে। এলাকাবাসী এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে বারবার ধরণা দিলেও মেলেনি কোনো প্রতিকার।
কর্মকর্তাদের উদাসীনতা:
অভিযোগ রয়েছে যে, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এই অনিয়মের বিষয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। বরং অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের যোগসাজশেই এই কালোবাজারি চলছে বলে ভুক্তভোগীদের সন্দেহ। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—যাদের তদারকি করার কথা, তারা কেন নিরব ভূমিকা পালন করছেন?
সার্বিক চিত্র:
সরকার যখন সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভর্তুকি মূল্যে এসব পণ্য সরবরাহ করছে, তখন ডি-৯ এরিয়ার মতো স্থানে এমন অনিয়ম জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ন্যায্যমূল্যের এই পণ্যগুলো যদি প্রকৃত কার্ডধারী বা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছায়, তবে সরকারের এই মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
এই বিষয়ে ডি-৯ এরিয়ার সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান অথবা তদন্তের আশ্বাস দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে এই চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্যের পণ্য নিশ্চিত করা হোক।
মন্তব্য করুন