নাছিমা খাতুন সুলতানাঃ ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলাধীন কাওলাটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল গণির মেয়ে মোছাঃ হোসেনে আরা হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার জেল হাজতে প্রেরণ বাদী পরিবার বর্গ কে হুমকি অভিযোগ। সূত্রে জানা যায় গত ২/৭/২৫ ইং তারিখ দিবাগত রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ তার মা রাবিয়া খাতুন সহ হোসেনে আরা কে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতে কোনো এক সময় বৃদ্ধি মা কে ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে।সে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। পরে দিন সকাল প্রায় ৮.৩০ শে খবর শুনে মহিলাটি কে পাশ্ববর্তী কবিরাজ বাড়ি গ্রামের মজনু মিয়ার কচু খেতে মহিলার মৃত লাশ পরে রয়েছে।

এই খবর গৌরীপুর থানা কে অবগত করিলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতক মহিলার লাশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের মর্গে প্রেরণ করেন। এদিকে খবর শুনে মহিলার আত্মীয় স্বজন সহ সকলেই মৃতক মহিলার বাড়িতে দেখতে আসে। পরে মৃতকের দাফন কাফন কাজ সম্পুর্ন করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মৃতক এর ভাই মোঃ শরীফ মিয়া বাদী হয়ে গত ৪/৭/২৫ ইং তারিখে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন। প্রতিপক্ষ মোঃ ফজলুল হক সহ আরও ৪/৫ জন কে অজ্ঞাত আসামি করে। যাহার মামলা নং ২।দ
ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোট ১৮৬০ রুজু করা হয়। পরে কিছু দিন পর আসামি কে গ্রেফতার করে ময়মনসিংহ জেল হাজতে প্রেরণ করেন। বর্তমানে আসামি জেল হাজতে থাকার তার অনুসারী আসামির চাচাত ভাই মৃত আসন আলীর ছেলে মোঃ বাশার মিয়া। মামলার বাদী মা রাবিয়া কে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে রাবিয়া বলেন।এই নিয়ে বিষয়টি গ্রাম বাসি কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে মেয়েটি কে মেরে ফেলা হয়েছে সেই মেয়েটি কে তারেই খালাত ভাই এর সাথে বিবাহ দিয়ে ছিল কয়েক বছর ঘর সংসার করার পর সে মানসিক রোগী হয়ে পড়ে, এমতাবস্থায় মধ্যে মেয়েটি স্বামী সংসার থেকে নিয়ে আসে।আর তার মা কিন্তু একই অবস্থা বোঝা যায়। হুমকি বিষয়টি আমারা শুনছি না এবং অবগত নেই, তারা আরও বলেন মহিলা হত্যার বিচার চাই, অপরাধীর ফাঁসি চাই।এই নিয়ে বাদী পরিবার বর্গ চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সু দৃষ্টি কামনা করছে। ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।
মন্তব্য করুন