মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ নেত্রকোনা জেলা আটপাড়ার উপজেলা শুনই ইউনিয়নের ইছাইল গ্রামের মোঃ সবুজ মিয়া ছেলে মোঃ শাহাদত মিয়ার দিন দিন অপকর্ম বেড়েই চলছে। শাশুড়ি সূত্রে জানা যায় গত ৩ বছর হয়, তার মেয়ে মোছাঃ মাহফুজা আক্তার কে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করে। একই গ্রামের মোঃ সবুজ মিয়া ছেলে শাহাদত মিয়ার সাথে এক বছর ভাল সংসার চলে। পরে হঠাৎ করে সে মাদ্যক, জুয়া, নারী ব্যবসা সাথে জড়িত হয়ে পড়ে।তার স্ত্রী মোছাঃ মাহফুজা আক্তার বার বার না নিষেধ করলে, তাকে মারধর চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরে অসহায় হয়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। সে খানে বেশ কিছু থাকার পর গ্রামের মাতব্বর গণের সুপারিশে পুনরায় স্বামীর সংসারে ফিরে আসে। এরপর থেকে শ্বশুর-শাশুড়ি আত্মীয়-স্বজন মিলে মাহফুজা আক্তার কে ব্যাপক অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। এদিকে মেয়েটির সাথে শশুর শাশুড়ি মিল দিয়ে কন্ঠ কনডম হবে প্রায় ৩ লাখ টাকা প্রলোভনের মাধ্যমে হাতি নেয়। এমতঅবস্থায় মেয়েটির গর্বে একটি সন্তান জন্ম নেয়। এই সন্তানটিকে কোন দেখাশোনা করে না সে অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে থাকে। গত ১৬/৫/২৬ ইং তারিখে রাতে মাহফুজা কে ব্যাপক নির্যাতন অত্যাচার করে টাকা জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করলে মারধর করে। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। এই নিয়ে পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে স্বামী/স্ত্রী ও উভয় পরিবার বর্গ লোকজন এর মধ্যে টাকা পয়সা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।এর জের ধরে উল্লেখিত তারিখে মারামারি হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মোছাঃ মাহফুজা আক্তার এর বাবা বাদী হয়ে আটপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ শাহাদত মিয়া সহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৩/৪ জন কে আসামি করে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে। ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন। প্রকাশ থাকে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।
মন্তব্য করুন