বগুড়া জেলা প্রতিনিধি:বগুড়া পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড চকসূত্রাপুর হাড্ডি পট্টি বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সুজন এন্টারপ্রাইজের মালিক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত মৃত আঁকা মন্ডল এর ছেলে মোঃ সিরাজুল ইসলামের (৫৫), ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী দোকানে, গত ২৭ ডিসেম্বর সদর ফাঁড়ি পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোরাই ৭টি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করে সদর ফাঁড়ী পুলিশ। চকসূত্রাপুর হাড্ডিপট্টিস্থ সুজন এন্টার প্রাইজ নামক ভাঙ্গারীর দোকানের ভেতর কতিপয় ব্যক্তি চোরাই গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয়-বিক্রয় করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতেসেখানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। অপর আসামী পরান (৪৫), পিতা অজ্ঞাত, কৌশলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে এই পরানের মূল ঠিকানা গোপন রাখে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সিরাজুল ইসলাম উপরোক্ত নাম ঠিকানা ও পলাতক আসামীর নাম জানায়। এ সময় (উপস্থিত সাক্ষী) মোঃ ফরহাদ শেখ (৩৫), পিতা মোকছেদ শেখ, সাং চকসূত্রাপুর পশ্চিমপাড়া, কূ-কাজের সাক্ষী হয়। পরে এই ফরহাদই আবার উল্টো আসামীদের পক্ষে সাক্ষী দেয়। মোঃ মুকুল, পিতা মৃত মোহাম্মদ আলী, সাং তরফ সরতাজ, থানা-গাবতলী। অভিযানে জব্দকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে গ্যাস বিহীন ৩টি নাভানা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ১টি BM এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ১টি Euro এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ১ টি বসুন্ধরা এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ১টি ও এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারসহ মোট ৭টি গ্যাস বিহীন গ্যাস সিলিন্ডার। জব্দ তালিকায় সাক্ষীদের স্বাক্ষর নেয় এবং নিজেও স্বাক্ষর করে। জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী সিরাজুল জানায়, অধিক মূল্যে অন্যত্র বিক্রী করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য পলাতক আসামীর নিকট থেকে উল্লেখিত চোরাই গ্যাস সিলিন্ডার কমদামে ক্রয় করেছে। পলাতক আসামী পরান নিয়মিত তার ভাঙ্গারী দোকানে চোরাই মালামাল বিক্রী করে থাকে। আসামী উক্ত আলামত ক্রয় সংক্রান্তে কোন বৈধ কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। গ্রেফতারকৃত আসামী ও পলাতক আসামী জব্দকৃত ৭টি চোরাই গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয়-বিক্রয় করে ও গ্রেফতারকৃত আসামী উক্ত চোরাই আলামত বিক্রীর উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রেখে ১৮৬০ সালের গেনাল কোড আইনের ৪১৩ ধারার অপরাধ করেছে। পলাতক আসামী গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা চলমান রয়েছে। থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং সিডিএমএস পর্যালোচনা করে গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সিরাজুল ইসলাম (৫৫) এর বিরুদ্ধে শাজাহানপুর থানার, এফআইআর নং-২৯, তারিখ-২৬ আগস্ট, ২০২৫; জি আর নং-৩২৬, তারিখ-২৬ আগস্ট, ২০২৫। ধার-380 The Penal Code, 1860; মামলায় তদন্তে সন্দিগ্ধ চার্জশীট-৩৬১, তারিখঃ ২৯ নভেম্বর, ২০১৫, এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। সুজন এন্টার প্রাইজের মালিক ডাঙ্গারী ব্যবসায়ী মোঃ সিরাজুল ইসলাম বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।
মন্তব্য করুন