মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের স্বল্প দুগিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাদির এর ছেলে মোঃমোকশেদ আলী সাহেবের ২১ শতাংশ সাফ কাওলা জমি দখলের চেষ্টা করে। একই গ্রামের মৃত হোসেন আলীর এর ছেলে মোঃ আলীম উদ্দিন ও আব্দুল বারেক গংরা। সূত্রে জানা যায় গত ৩০/৫/২৬ তারিখ প্রায় ১টার দিকে মোঃ মোখশেদ আলীর ফসলী জমির ধান, জোর পূর্বক বেআইনি ভাবে ধান কাটার চেষ্টা করে প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল বারেক গংরা।জমির মালিক এর ছেলে কলেজ ছাত্র মোঃ আবু খায়ের পতি পক্ষ কে বাধা দেয়। এসময় কলেজ ছাত্র কে মারধর সহ গুরুতর আহত করে। আহত ছাত্র চিৎকারে আশেপাশে থাকা লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে, হামলাকারীদের কবল হতে উদ্ধার করে। নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে আহত ছাত্র বাবা মোঃ মোকশেদ আলী তিরি পল লাইনে কল করে পুলিশ কে বিষয়টি অবগত করলে দূত পুলিশ প্রশাসন ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন। এদিকে প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল বারেক সহ ভাড়াটিয়া লোকজন কে গ্রামের সাধারণ জনগণ দাওয়া করে।এ সময় এক জন আহত হয়। এই ঘটনা কে ধামাচাপা দেয়ার জন্য প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল বারেক তার বাড়িতে থাকা হোডার ভেঙ্গে ফেল ঘটনাটি কে বিভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে,ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে জমি জমা নিয়া বিরুদ্ধে চলে আসছে। পরে একই বাড়িতে অন্য একটি বিষয় নিয়ে গ্রাম্য শালিস/ বৈঠক বসলেও সেটি মিমাংসা হয়। পরে মোঃ মোকশেদ আলী ও আলীম উদ্দিন গংদের জমি জমা ঘটনাটি উপস্থাপন হয়। পরে এলাকাবাসী ও মাতাবর গংণের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ কে বলা হয়। যেতুক কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে।তাহলে আলীম উদ্দিন ও আব্দুল বারেক সহ সবাই কে বলা হয়। জমিতে যাইবা না আদালত যে সিদ্ধান্ত আসবে সেই জমি পাবে এবং সেই রায় এর পক্ষে গ্রাম ও এলাকাবাসী থাকবে। উভয় পক্ষ মেনে নিয়ে ছিল কিন্তু হঠাৎ আলীম উদ্দিন ও আব্দুল বারেক গংরা এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ ছাত্রর বাবা মোঃ মোকশেদ আলী বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল বারেক সহ ৬ জন কে আসামী করে। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে। গুরুত আহত ভোক্তভোগী কলেজ ছাত্র পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী সাধারণ জনগণ এবং এলাকার সচেতন মহল। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।
মন্তব্য করুন