নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার রেশনিং ডি-২ এলাকার অন্তর্গত গেন্ডারিয়া ও নারিন্দা অঞ্চলে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমের চাল ও আটা বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যপণ্য ব্যালেন্স না রেখে কালোবাজারিতে বিক্রির সুযোগ করে দিচ্ছেন ডিলারদের সংশ্লিষ্ট তদারককারী কর্মকর্তারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫৯/১/এ শাহ সাহেব লেনের ডিলার শ্রী সুবোধ চন্দ্র দাস এবং ৪১ শরৎ গুপ্ত রোডের ডিলার নাজির হোসেন সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে পণ্য সরিয় ফেলছেন। এই প্রক্রিয়ায় ডি-২ এরিয়ার এআরও চিন্তামণি তালুকদার এবং তদারককারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের পরোক্ষ মদদ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও একটি গুরুতর বিষয় হলো, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও এই কেন্দ্রগুলোতে এখনো ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ সম্বলিত ব্যানার ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং পুরনো প্রভাব বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষ এখনো এই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। নিম্ন আয়ের মানুষ যখন চড়া বাজারে হিমশিম খাচ্ছে, তখন সরকারি চাল-আটা নিয়ে এমন অনিয়ম ও উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগীরা এই বিষয়ে খাদ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন