মোশাররফ হোসেন জসিম পাঠানঃ নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলাধীন চিরাং ইউনিয়নের ছিলিমপুর গ্রামের মৃত আসন আলীর ছেলে মোঃ মুনসুর মিয়া ওরফে ইঞ্জিল মিয়া নেত্রকোনা কোর্টে একটি রেকর্ড সংশোধন মামলা করেন। একই বাড়ির মৃত দুলাল মিয়া ছেলে মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি সহ তার লোকজন কে আসামী করে।এর জের ধরে গত ১৩/৫/২৬ ইং তারিখ রোজ বুধবার সকালে ময়লা ফেলা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথার কাটাকাটি এবং হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। পরে এক পর্যায় উভয় পক্ষ দেশী অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে ঝগড়া জড়িয়ে পড়ে।এ সময় নারী সহ উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়। পরে আহত ব্যক্তিদের চিৎকারে বাড়ির আশে পাশে থাকা লোকজন দ্রুত এগিয়ে আহত লোকজন কে উদ্ধার করে। কেন্দুয়া উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্মরত ডাঃ রোগীদের কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এই ঘটনার আহত ইঞ্জিল মিয়া ছেলে মোঃ রিদয় মিয়া বাদী হয়ে, কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন। প্রতিপক্ষ মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে হাবি সহ ৫ জন কে আসামী ও অজ্ঞাত ৪/৫ জন কে আসামী করে।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানার এসআই ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন,ঘটনা সত্যতা পায় এবং অভিযোগটি থানার প্রাপ্ত হয়।এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে, ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক,মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে, ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা নিয়ে বিরোধের চলে আসছে। এই নিয়ে গ্রাম শালিস বৈঠক বসলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি পরে ইঞ্জিল মিয়া কোর্টে রেকর্ড সংশোধন মামলা চলমান থাকা অবস্থায় এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।এদিকে মোঃ জিয়া মিয়া ও আরাধন এর সাথে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীগণ কথা বলে জানা যায় যে তার বাবা দুলাল মিয়া সাফ কাওলা মূলে এই জমি কিনেছে।এ ব্যাপারে মোঃ দুলাল মিয়া স্ত্রী মোছাঃ পারভীন আক্তার বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানার অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ জনি সহ ১০ জন কে আসামি করে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সাহায্য কামনা করছে।ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ লোকজন। প্রকাশ থাকে যে উল্লেখিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা… চলবে।
মন্তব্য করুন