শামীম আহমেদ তালুকদার স্টাফ রিপোর্টার মৌলভীবাজার জেলা: লুকদার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভাধীন রামপাশা এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হযরত শাহ আজম (রহ.) হিফজুল কুরআন দরগাহ মডেল মাদ্রাসার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মাদ্রাসার উন্নয়ন, শিক্ষার বিস্তার ও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং মুহাম্মদ সেলিম আহমদ তালুকদারকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
আজ বেলা ১১টায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার পরিচালক কাজী মাওলানা মুহিউচ্ছুন্নাহ আজমী।
মাদ্রাসার ছাত্র, শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে সংবর্ধিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা ও কৃতজ্ঞতা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক অ্যাডভোকেট সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ তাজ উদ্দীন মাস্টার, আবদুর রহমান, মুহিদ মিয়া, মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, মোহাম্মদ মসুদ মিয়া ও মুহাম্মদ মখলিছ মিয়া। শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ মুহাম্মদ তোফায়েল আহমদ সিফু ও হাফিজ মুহাম্মদ রিয়াজ আহমদসহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন এবং মুহাম্মদ সেলিম আহমদ তালুকদারের মতো দানশীল ও সমাজসেবক ব্যক্তিবর্গের অবদান দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে বড় ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের অবদান অনস্বীকার্য। হযরত শাহ আজম (রহ.) হিফজুল কুরআন দরগাহ মডেল মাদ্রাসার অগ্রযাত্রায় তাদের এই নিঃস্বার্থ সহযোগিতা আগামী দিনের হাফেজ ও আলেমদের জন্য আরও সুন্দর ও উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করবে।”
সংবর্ধিত অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, “মরহুম হযরত মাওলানা মুফতী শাহ মোহাম্মদ মোশাহিদ আলী আজমী (রহ.)-এর প্রতিষ্ঠিত এই কুরআনের বাগানের উসিলায় পুরো এলাকা কুরআনের আলোয় আলোকিত হয়েছে। আমাদের মেহনত ও পরিশ্রমের মাধ্যমেই এই দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।” এ সময় তারা মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা কমিটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামীতেও মাদ্রাসার সার্বিক উন্নয়নে পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
পরিশেষে শাহ মোহাম্মদ মোজাহিদ আলী আজমীর পরিচালনায় এক আবেগঘন মোনাজাতের মাধ্যমে মাদ্রাসার সমৃদ্ধি, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মন্তব্য করুন