news editor
৩১ জুলাই ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

‘মিলেমিশে খাওয়া’ হলো না, বরখাস্ত ৩ খাদ্য কর্মকর্তা

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্যের একটি ভিডিও ভাইরালের পর ৩ খাদ্য কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ।

সাময়িক বরখাস্ত খাদ্য কর্মকর্তারা হলেন কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন।

খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওএমএস কর্মসূচির আওতায় কালাই উপজেলায় প্রতিদিন ২ টন চাল ও ২ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারেন।

কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন দুই টন আটার বিপরীতে বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও সেখানে নিয়মিত রাখা হতো মাত্র ২০ বস্তা। ফলে শত শত নিম্নআয়ের মানুষ দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চাল পেলেও আটা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যেতেন। অভিযোগ রয়েছে, বাকি ২০ বস্তা আটা খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হতো।

স্থানীয় এক সুবিধাভোগী সাবেরা বিবি বলেন, আমরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতাম।

পরে বলা হতো আটা শেষ। কিন্তু চাল পাওয়া যেত। পরে জানতে পারি, বরাদ্দ অনুযায়ী আটা বিক্রিই করা হচ্ছিল না। গরিব মানুষের হক এভাবে লুটপাট হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।
খাদ্য অধিপ্তর সূত্রে জানিয়েছে, ওএমএসের আটা কম দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্ত